প্রধানমন্ত্রীত্ব হারাতে পারেন থেরেসা মে

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে তার প্রধানমন্ত্রিত্ব হারাতে পারেন। তার দল কনজারভেটিভ পার্টির এমপিরা এ বিষয়ে আজ বুধবার আরও পরের দিকে এক অনাস্থা ভোটাভুটিতে অংশ নিয়ে তার রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণ করবেন। খবর বিবিসি, এবিসি, দ্য গার্ডিয়ানের।

কনজারভেটিভ পার্টির তথাকথিত ১৯২২ কমিটির চেয়ারম্যান গ্রাম ব্র্যাডি বলেছেন, ভোটাভুটি জন্য নির্ধারিত সীমা অতিক্রান্ত হয়েছে। এ ধরনের ভোটাভুটির অর্থ হচ্ছে কনজারভেটিভ পার্টির অন্তত ৪৮ জন এমপি মে’র প্রতি অনাস্থা এনে চিঠি দিয়েছে।

ব্র্যাডি বলেছেন, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হবে। হাউজ অব কমন্সে অনুষ্ঠিত এই ভোটাভুটির পর ‘যতদ্রুত সম্ভব ফলাফল ঘোষণা’ করা হবে। একটি সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ১০টায় ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

জয়ী হতে হলে অবশ্যই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হবে মে’কে। আর যদি ভোটাভুটিতে হেরে যান তাহলে দলীয় প্রধানের পদ ও প্রধানমন্ত্রিত্ব হারাতে হবে তাকে। কিন্তু যদি আজকের এই পরীক্ষায় উতড়ে যান মে, তাহলে আগামী এক বছর তার নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।

আসলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের পরিকল্পিত বিচ্ছেদ নিয়ে সমর্থন আদায়ে মে’র ব্যর্থতার মধ্যেই এই ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তার দলে ব্রেক্সিটের সমর্থকরা অভিযোগ করেছেন, মে দেশের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন।

কনজারভেটিভ দুই এমপি জ্যাকব রিজ-মগ এবং স্টিভ বেকার এক বিবৃতিতে বলেছেন, যদি এভাবে চলতে থাকে তাহলে থেরেসা মে’র পরিকল্পনা সরকারের পতন ঘটাবে।

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, কিন্তু আমাদের দল এটি মেনে নেবে না। মে’র নেতৃত্বে একটি নির্বাচনে যাওয়ার ইচ্ছা আছে কিনা সে বিষয়ে কনজারভেটিভদের জবাব দিতে হবে। জাতীয় স্বার্থে, তাকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে।

কিন্তু মে’র ঘনিষ্ঠ মিত্ররা তার পক্ষেই ব্যাট চালিয়েছেন। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্ট এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, আজ রাতে আমি থেরেসা মে’কে সমর্থন দিচ্ছি।

Facebook Comments